গেমিং হোক বিনোদনের উৎস, চাপের নয়। be 12 বাংলাদেশ-এর প্রতিটি খেলোয়াড়ের সুস্থ ও নিরাপদ গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আপনার সুরক্ষা আমাদের দায়িত্ব
be 12 বিশ্বাস করে, গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি স্বাস্থ্যকর মাধ্যম। নিচের নীতিগুলো মেনে চললে আপনার অভিজ্ঞতা সবসময় ইতিবাচক থাকবে।
গেমিং শুরু করার আগেই একটি নির্দিষ্ট বাজেট ঠিক করে নিন এবং সেই সীমার বাইরে কখনো যাবেন না। শুধুমাত্র সেই অর্থ ব্যয় করুন যা হারালেও আপনার দৈনন্দিন জীবনে কোনো প্রভাব পড়বে না। প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহ বা প্রতি মাসের জন্য আলাদা সীমা নির্ধারণ করা বুদ্ধিমানের কাজ। be 12 প্ল্যাটফর্মে আপনি নিজেই আপনার ডিপোজিট লিমিট সেট করতে পারবেন। মনে রাখবেন, গেমিং কখনো আয়ের উৎস নয়, এটি বিনোদনের একটি মাধ্যম মাত্র।
গেমিংয়ে কতটা সময় দেবেন তা আগে থেকেই ঠিক করুন এবং সেই সময়সীমা কঠোরভাবে মেনে চলুন। দীর্ঘ সময় একটানা খেলা মানসিক ক্লান্তি ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত একবার বিরতি নিন এবং অন্য কাজে মনোযোগ দিন। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, শরীরচর্চা এবং অন্যান্য শখকে গেমিংয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন। ঘুমের সময় বা কাজের সময়ে গেমিং করা থেকে বিরত থাকুন।
রাগ, হতাশা বা মানসিক চাপের মধ্যে কখনো গেমিং করবেন না, কারণ এই অবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। হারার পর সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আরও বেশি বাজি ধরার প্রবণতা থেকে সাবধান থাকুন। জয়ের ধারায় থাকলেও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হবেন না। গেমিং সবসময় হাসিমুখে ও স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে উপভোগ করুন। যদি মনে হয় গেমিং আপনার মেজাজ বা মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করছে, তাহলে সাথে সাথে বিরতি নিন।
be 12 প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন ও অংশগ্রহণের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। অপ্রাপ্তবয়স্করা যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকুন। আপনার লগইন তথ্য কখনো শিশু বা কিশোরদের সাথে শেয়ার করবেন না। পারিবারিক ডিভাইসে গেমিং করলে সেশন শেষে অবশ্যই লগআউট করুন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের গেমিং থেকে দূরে রাখা আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব।
গেমিং আসক্তির কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো: হারানো অর্থ ফিরে পেতে বারবার খেলা, গেমিং নিয়ে মিথ্যা বলা, পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং গেমিং বন্ধ করতে না পারা। যদি এই লক্ষণগুলো আপনার মধ্যে দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে সাহায্য নিন। নিজের গেমিং ইতিহাস নিয়মিত পর্যালোচনা করুন এবং কোনো অস্বাভাবিক প্যাটার্ন দেখলে সতর্ক হন। প্রিয়জনের উদ্বেগকে গুরুত্বের সাথে নিন, কারণ বাইরে থেকে অনেক সময় সমস্যা আগে বোঝা যায়। সমস্যা স্বীকার করাই সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ।
গেমিং সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় be 12 - এর সাপোর্ট টিম সবসময় আপনার পাশে আছে। আপনি চাইলে যেকোনো সময় আপনার অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার অনুরোধ করতে পারেন। পেশাদার সাহায্যের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাথে যোগাযোগ করুন। পরিবার ও বিশ্বস্ত বন্ধুদের সাথে খোলামেলা কথা বলুন, কারণ একা সমস্যা মোকাবেলা করা কঠিন। মনে রাখবেন, সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং এটি সাহসিকতার প্রমাণ।
be 12 প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ-এর খেলোয়াড়দের জন্য বেশ কিছু কার্যকর সুরক্ষা টুল সরবরাহ করে, যা আপনাকে গেমিং অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয়। এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি নিজেই আপনার গেমিং সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে যেকোনো সময় পরিবর্তন করতে পারবেন। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য একটি নিরাপদ ও আনন্দদায়ক পরিবেশ তৈরি করা।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন।
একটানা কতক্ষণ খেলবেন তা আগে থেকে সেট করুন, সময় শেষে স্বয়ংক্রিয় বিজ্ঞপ্তি পাবেন।
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গেমিং থেকে বিরতি নিন — ২৪ ঘণ্টা থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত।
দীর্ঘমেয়াদী বিরতির প্রয়োজন হলে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বন্ধ করুন।
আপনার সম্পূর্ণ গেমিং ও লেনদেনের ইতিহাস যেকোনো সময় দেখুন এবং বিশ্লেষণ করুন।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। যদি একাধিক প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে পাবেন।
গেমিং হোক আনন্দের, চাপের নয়। be 12 - এ নিরাপদ সীমার মধ্যে থেকে বাংলাদেশ-এর সেরা স্পোর্টস বেটিং ও ক্যাসিনো-স্টাইল বিনোদন উপভোগ করুন। আজই অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।